শেখ হাসিনার বক্তব্য ইস্যুতে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই

নয়াদিল্লি, ৪ আগস্ট – বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো গণমাধ্যম অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
মঙ্গলবার দিল্লিতে এক নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ফরেইন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া নামক একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। সেখানে কোনো মতামত প্রকাশ করা হলে তার দায় ভারত সরকারের নয় এবং সরকার তা সমর্থনও করে না।
শেখ হাসিনার ভাষণের পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উদ্বেগের বিষয়টি উল্লেখ করে মুখপাত্র জানান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের কার্যক্রমে সরকারের কোনো ভূমিকা থাকে না।
এর আগে ভারতের এই আয়োজনে ঢাকা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের উদ্যোগ দুদেশের বর্তমান ইতিবাচক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সোমবার ঢাকায় ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
অন্য এক প্রসঙ্গে রণধীর জয়সওয়াল জানান, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে তাকে এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে ভারত চিঠি পাঠিয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের প্রধানদেরও একইভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেছেন এবং তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
২০২৭ সালে বিমসটেকের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকায় শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে, তাই এই আমন্ত্রণকে অত্যন্ত সময়োপযোগী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এনএন/ ৪ আগস্ট ২০২৬









