ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ডে স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের শোক প্রকাশ

ঢাকা, ৩ জুলাই – ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। এই শোকের মুহূর্তে তিনি ইরান সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সংহতির বার্তা পৌঁছে দেন।
তেহরানে সফররত স্পিকার শুক্রবার ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়ে এই শোকবার্তা জ্ঞাপন করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে বাংলাদেশের গভীর সমবেদনার কথা তুলে ধরেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসভবনে মার্কিন এবং ইসরায়েলি যৌথ হামলার শিকার হয়ে তিনি প্রাণ হারান। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি স্পিকার এই কঠিন সময়ে ইরানি জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে দুই দেশের মধ্যে কয়েক শতাব্দীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ক্ষেত্রে ইরানি স্পিকার কলিবফের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসাও করেন তিনি। এই চুক্তির ফলে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও স্থায়িত্ব আসবে বলে আশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে চলমান শান্তি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে। সকল পক্ষকে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানান স্পিকার। এরই ধারাবাহিকতায় স্পিকার রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে অংশ নিতে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে তেহরান পৌঁছান।
খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শেষকৃত্য উপলক্ষে ছয় দিনের শোক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ইরান সরকার। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা সেখানে উপস্থিত রয়েছেন। তেহরান থেকে কোম এবং ইরাকের পবিত্র শহরগুলোতে শোকযাত্রা শেষে মাশহাদ শহরে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।
এনএন/ ৩ জুলাই ২০২৬









