ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে দূরত্ব কমবে ৮০ কিমি, আসছে উচ্চগতির ট্রেন ও কর্ডলাইন

ঢাকা, ১১ জুন – সরকার নিরাপদ, আধুনিক এবং দক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণ ও উচ্চগতির রেল চালুর বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণের মাধ্যমে এই রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমিয়ে আনার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এটি বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট এবং দেশের ৫৫তম বাজেট। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে রেলপথকে আরও কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা এবং সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ সম্প্রসারণের কাজ চলছে।
এছাড়া আধুনিক লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ওয়াগন সংগ্রহের কার্যক্রমও বর্তমানে চলমান রয়েছে। রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপের আধুনিকায়ন এবং স্থানীয়ভাবে কোচ ও লোকোমোটিভ সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ এবং আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনাও বাজেটে স্থান পেয়েছে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ও উচ্চগতির রেল সংযোগ চালুর পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোর প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
রেল খাতে এই ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের গতি বৃদ্ধি করা এবং দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।
এস এম/ ১১ জুন ২০২৬









