রাজক্ষমায় পূর্ণ মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা

ব্যাংকক, ৯ জুন – থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা রাজক্ষমা পাওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ণ মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার দেশটির কারা বিভাগ সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক মুক্তির খবরটি নিশ্চিত করেছে।
দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে এক বছরের কারাদণ্ড পাওয়া থাকসিন আট মাস সাজা খাটার পর বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার বিবেচনায় গত মাসে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন।
থাই কারা বিভাগ জানিয়েছে যে শর্তসাপেক্ষ মুক্তির অংশ হিসেবে ৭৬ বছর বয়সী থাকসিনের পায়ে একটি ইলেকট্রনিক মনিটরিং ডিভাইস বা ইএমডি পরা ছিল। রানি সুথিদার জন্মদিন উপলক্ষে গত ৩ জুন রাজক্ষমা পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকায় এই টেলিকম বিলিয়নেয়ারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
মঙ্গলবার কারা কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে থাকসিনের পা থেকে সেই ট্র্যাকিং ডিভাইসটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কারাগার কর্তৃপক্ষ তার কাছে আনুষ্ঠানিক মুক্তির নথিপত্র এবং খালাসের প্রশংসাপত্র হস্তান্তর করেছে। এখন থেকে থাকসিন আর কোনো ফৌজদারি শাস্তি অথবা নজরদারির অধীনে নেই।
থাইল্যান্ডের রাজকীয় প্রথা অনুযায়ী বিভিন্ন উৎসবে ভালো আচরণ করা বন্দিদের নিয়মিত রাজক্ষমা দেওয়া হয়।
আধুনিক থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতা দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৬ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি দীর্ঘ সময় নির্বাসনে ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি পুনরায় দেশে ফিরে আসেন।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী তিনি শিগগিরই দুবাই সফরে যেতে পারেন। সিনাওয়াত্রা পরিবারের রাজনৈতিক দল ফেউ থাই পার্টি দীর্ঘ সময় দেশটির ক্ষমতায় থাকলেও সাম্প্রতিক নির্বাচনে তাদের জনসমর্থন কমে যাওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
এনএন/ ৯ জুন ২০২৬









