জাতীয়

রাজধানীর অলিগলিতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর খাদ্যের বাজার

ঢাকা, ২৬ মে – পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর অলিগলিতে জমজমাট হয়ে উঠেছে কোরবানির পশুর খাদ্য ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামের অস্থায়ী বাজার। কোরবানির পশু কেনা শেষ করে এখন পশুখাদ্য সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরবাসী।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে ও ফাঁকা জায়গায় খড়, কাঁচা ঘাস, ভুসি, খৈল এবং কাঁঠাল পাতার পসরা সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। এছাড়া পশু বাঁধার দড়ি, কাঠের খাটিয়া ও প্লাস্টিকের গামলার মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের চাহিদাও এখন তুঙ্গে।

রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, বাড্ডা ও খিলগাঁও এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ছোট ভ্যান বা ফুটপাতে ট্রাকভর্তি ঘাস ও খড় নামিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে প্রতি আঁটি সবুজ ঘাস ২৫ থেকে ৫০ টাকা এবং মানভেদে খড়ের আঁটি ২৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে কেজি দরেও খড় বিক্রি হচ্ছে যার দাম পড়ছে ২৫ থেকে ৪০ টাকা।

পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে গমের ভুসি কেজিপ্রতি ৪৫ থেকে ৬০ টাকা এবং খৈল ৭০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। বিশেষ করে ছাগল বা ভেড়ার জন্য কাঁঠাল পাতার আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। খাবারের পাশাপাশি অন্যান্য সরঞ্জামের দামও বেড়েছে।

গরু বাঁধার মোটা দড়ি ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং পশু জবাইয়ের পর কাজে আসা খাটিয়া আকারভেদে ২৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্লাস্টিকের বড় পানির গামলার দাম পড়ছে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং পশুর শেষ মুহূর্তের চাহিদা বেশি থাকায় দাম কিছুটা চড়া।

অনেক ক্ষুদ্র ও দিনমজুর ব্যবসায়ী কোরবানির এই সময়ে অন্য কাজ বাদ দিয়ে পশুখাদ্য বিক্রিতে নেমেছেন ভালো লাভের আশায়। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে এবার মোট ২৪টি অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে। এর পাশাপাশি গাবতলী ও সারুলিয়ার দুটি স্থায়ী হাটসহ মোট ২৬টি স্থান থেকে নগরবাসী তাদের কোরবানির পশু সংগ্রহ করছেন। পশু কেনার পর এখন পশুখাদ্য ও সরঞ্জাম কেনাই হয়ে দাঁড়িয়েছে কোরবানির মূল প্রস্তুতি।

এস এম/ ২৬ মে ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language