পল্লবীতে রামিসা হত্যা মামলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি

ঢাকা, ২৪ মে – রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এই আদেশ প্রদান করেন।
এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে এই অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায় গত ১৯ মে সকালে সোহেল রানা কৌশলে রামিসাকে নিজ ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে বাথরুমে আটকে রেখে শিশুটিকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্নাকে আটক করে এবং পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
এই ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন। আসামি সোহেল রানা ইতোমধ্যেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল এবং অভিযুক্তরা একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ছিল।
এস এম/ ২৪ মে ২০২৬









