কোরবানির পশুর বয়স ও দাঁত নিয়ে ইসলামের বিধান: যা জানা জরুরি

ইসলামি শরিয়তে সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য কোরবানি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও এই ইবাদত পালন না করার বিষয়ে হাদিসে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বর্ণিত আছে যে, যার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করে না, সে যেন ঈদগাহের ধারেকাছে না আসে।
ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং শরিয়ত নির্ধারিত নিয়মে তা সম্পন্ন করা। তাই কোরবানির পশু নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামি বিধি বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
ফিকহবিদদের মতে, কোরবানির পশুর ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়াই প্রধান শর্ত। দাঁত ওঠা বা পড়া বাধ্যতামূলক নয়।
হাদিসে জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত পশু কোরবানি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, গরুর ক্ষেত্রে অন্তত ২ বছর এবং ছাগল বা ভেড়ার ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে। যদি কোনো পশুর এই বয়সসীমা পূর্ণ হয়, তবে তার দুধ দাঁত না পড়লেও বা নতুন দাঁত না গজালেও সেই পশু দিয়ে কোরবানি বৈধ হবে।
সাধারণত বয়স পূর্ণ হলে পশুর দাঁত পড়ে যায় বলে পশুর হাটে ক্রেতারা দাঁত দেখে বয়স যাচাই করেন। শরিয়তের দৃষ্টিতেও এভাবে বয়স নির্ধারণে কোনো বাধা নেই। তবে পশুর বয়স যদি নিশ্চিতভাবে জানা থাকে, তবে দাঁত না উঠলেও শরিয়তের বিধানে কোরবানি শুদ্ধ হবে।
এনএন/ ২২ মে ২০২৬









