ডায়েট নিয়ন্ত্রণে কমবে ক্যান্সারের ঝুঁকি: দাবি গবেষকদের

ঢাকা, ২৯ এপ্রিল – খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে কি ক্যান্সারের মতো মারণব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব? স্ট্যানফোর্ড, জনস হপকিন্স এবং ভারতের আইসিএমআর এর গবেষকরা জানিয়েছেন যে এটি সম্ভব। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে সঠিক পথ্য বা ডায়েট অনুসরণ করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস করা যেতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই পদ্ধতিকে মেটাবলিক রিপ্রোগ্রামিং বলা হয়। গবেষকদের মতে ক্যান্সার কোষ অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়।
চিনি এবং প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট যেমন পিৎজা, বার্গার বা কুকিজ শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি ক্যান্সার কোষের বিভাজনে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। ডায়েট পরিবর্তনের মাধ্যমে যদি এই পুষ্টির জোগান বন্ধ করা যায় তবে শক্তির অভাবে ক্যান্সার কোষের মৃত্যু ঘটতে থাকে। সুস্থ থাকতে এবং ক্যান্সার মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু খাবারের পরামর্শ দিয়েছেন। প্রতিদিন অন্তত ৫ রঙের ফল ও সবজি খাওয়ার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেছেন।
গাজর, টমেটো, ব্রকোলি এবং বিট কোষের সুরক্ষায় কাজ করে। এছাড়া ডাল, কাঠবাদাম, চিয়া বীজ এবং তিসির বীজের মতো উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রুখতে কার্যকর। হলুদের কারকিউমিন এবং রসুনের অ্যালিসিন ক্যান্সার প্রতিরোধে অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা রাখে। গ্রিন টি এবং বেরি জাতীয় ফলও কোষের অস্বাভাবিক বিভাজন বন্ধ করতে সাহায্য করে। ক্যান্সার প্রতিরোধে অতিরিক্ত চিনি, ময়দা এবং প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।
এস এম/ ২৯ এপ্রিল ২০২৬









