মজুত রেখেও তেল বিক্রি বন্ধ, যশোরে ফিলিং স্টেশনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

যশোর, ৩০ মার্চ – যশোর শহরের আরএন রোড এলাকায় পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও পাম্প বন্ধ রেখে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে ‘যাত্রীক পাম্প’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার বিকেল ৪টার দিকে যশোর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, বিকেলে ওই পাম্পে অভিযান চালানোর সময় আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংকে ৮১৫ লিটার পেট্রোল মজুত পাওয়া যায়।
কিন্তু পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল নেই এমন অজুহাত দেখিয়ে বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ রেখেছিল। এর ফলে তীব্র রোদের মধ্যে শত শত যানবাহন চালক দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন। মজুত রেখেও তেল বিক্রি না করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় পাম্পটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে পাম্প খুলে দিয়ে অপেক্ষমাণ চালকদের কাছে তেল সরবরাহের নির্দেশ দেন আদালত। জরিমানার পাশাপাশি পাম্পের তেলের পরিমাপক যন্ত্র বা মেশিন ক্যালিব্রেশন সঠিক আছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করে দেখা হয়।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার শামীম হোসেন জানান, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও জনসাধারণের কাছে তা বিক্রি না করা একটি সুস্পষ্ট অপরাধ। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আকস্মিকভাবে যশোর শহরের তিনটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন। ওই তিনটি স্টেশনের মধ্যে যাত্রীক পাম্পও ছিল। সেখানে নানা অনিয়ম দেখতে পেয়ে জেলা প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।
এস এম/ ৩০ মার্চ ২০২৬









