এক বছর বন্দি থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীর মুক্তি

ওয়াশিংটন, ২৩ মার্চ – দীর্ঘ এক বছর বন্দি থাকার পর অবশেষে লেকা করদিয়া নামের এক ফিলিস্তিনি নারী শিক্ষার্থীকে মুক্তি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে গাজা যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জেরে তিনি প্রথমবার আটক হয়েছিলেন। সে সময় তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও পরবর্তীতে নিয়মিত ইমিগ্রেশন চেক ইন করার সময় তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি টেক্সাসের একটি অভিবাসন হেফাজতে বন্দি ছিলেন। এই শিক্ষার্থীর আইনজীবীরা তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে নিউইয়র্ক সিটির বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে বিক্ষোভ চলাকালে শতাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে লেকাও গ্রেফতার হন।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বা ডিএইচএস দাবি করেছে, স্টুডেন্ট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। সংস্থাটির মতে, ২০২২ সালে ক্লাসে পর্যাপ্ত উপস্থিতির অভাবে তার ভিসা বাতিল হয়ে যায়। পাশাপাশি বিদেশে অর্থ পাঠানোর বিষয়েও এই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেন ফেডারেল কর্মকর্তারা। ডিএইচএস অভিযোগ করেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধী রাষ্ট্রগুলোতে বসবাসরত ব্যক্তিদের তিনি আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।
তবে লেকা করদিয়া জানান, তিনি কেবল তার পরিবারের সদস্যদের জন্যই অর্থ পাঠিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি। সোমবার ডালাসের কাছাকাছি একটি ডিটেনশন সেন্টার থেকে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, শুক্রবার লেকার তৃতীয় জামিন শুনানিতে এক অভিবাসন বিচারক তার দাবির পক্ষে শক্ত প্রমাণ খুঁজে পান। ওই বিচারক সরকারের যুক্তিকে অসৎ আখ্যা দিয়ে এক লাখ ডলার জামানতের বিনিময়ে তাকে মুক্তির নির্দেশ দেন।
এস এম/ ২৩ মার্চ ২০২৬









