ফুটবল

মার্তিনেজের অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির বিষয় এবার মুখ খুললেন আর্জেন্টাইন কোচ

বুয়েনোস আইরেস, ২১ জানুয়ারি – কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ফাইনালের পর সেরা গোলরক্ষকের ট্রফি নিয়ে বিতর্কিত ভঙ্গি ও আর্জেন্টিনায় ফিরে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে কটাক্ষ করে সমালোনায় পড়েছেন তিনি।

এবার তার সেসব আচরণ নিয়ে মুখ খুললেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পেছনে মার্তিনেজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তার পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন অনেকেই। একই সঙ্গে আলোচনা হয়েছে মার্তিনেজের আচরণ নিয়েও। যদিও স্কালোনি তার সেই আচরণকে ‘শিশুসুলভ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

দলের সেরা তারকা লিওনেল মেসির প্রিয় দিবুর (মার্তিনেজের ডাক নাম) পাশেই অবশ্য স্কালোনি দাঁড়ালেন। তিনি বলেন, ‘মার্তিনেজের আচরণে হয়তো অনেকেই খুশি হবেন না। সে কিন্তু দুর্দান্ত ছেলে। সে অনেকটা বাচ্চাদের মতো। কতটা ভালো ছেলে, সেটি জানলে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তাকে ভালো করে চেনা দরকার।’

একটি সাক্ষাৎকারে স্কালোনি আরও বলেন, ‘মার্তিনেজ এমন একটা আবিষ্কার, যেটি আমাদের প্রচুর আনন্দ দিয়েছে। তার আলাদা ব্যক্তিত্ব রয়েছে। সেই ব্যক্তিত্বও আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে। যদিও তার দৃষ্টিভঙ্গি একদম বাচ্চাদের মতো।’

মার্তিনেজের বিতর্কিত আচরণের জন্যই বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মূলত আর্জেন্টিনাকে ফিফার তদন্তের সামনে পড়তে হয়েছে। আপত্তিকর আচরণ ও ফেয়ার প্লে বিঘ্নিত করার চেষ্টা ছাড়াও খেলোয়াড়, কর্তাদের খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে বিশ্বকাপজয়ীদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ প্রমাণ হলে আর্জেন্টিনাকে কড়া শাস্তি দিতে পারে ফিফা। যার জন্য অনেকটাই দায়ী থাকবেন মার্তিনেজ। তবু দলের এক নম্বর গোলরক্ষকের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন স্কালোনি।

এদিকে শুধু ফাইনালে নয়। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের পরেও মেসি, মার্তিনেজের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। এসব কিছুই রয়েছে ফিফার নজরে। কোয়ার্টার ফাইনাল ও ফাইনালে জয়ের আনন্দে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি।

ফ্রান্সের ফুটবল সংস্থার সভাপতি সরাসরি চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থার সভাপতিকেও। মার্তিনেজ অবশ্য কখনই নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেননি। উল্লেখ্য, মার্তিনেজের পাশে দাঁড়িয়েছে তার ক্লাব অ্যাস্টন ভিলাও।

সূত্র: যুগান্তর
আইএ/ ২১ জানুয়ারি ২০২৩


Back to top button
🌐 Read in Your Language