আদম (আ.) থেকে নুহ (আ.) পর্যন্ত ব্যবধান ছিল ১০ শতাব্দীর। যার শেষ দিকে ক্রমবর্ধমান মানুষের মধ্যে শিরক, নব আবিষ্কার ও কুসংস্কারের আবির্ভাব ঘটে এবং তা বিস্তৃতি লাভ করে ব্যাপকভাবে। ফলে এই জাতির সংশোধনের জন্য আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দা হজরত নুহ (আ.)-কে একত্ববাদের দাওয়াত দিতে নবী ও রাসুল হিসেবে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ হায়াত দান করেছেন।
তিনি সাড়ে ৯ শ বছর তাঁর জাতিকে একত্ববাদের দাওয়াত দিয়েছেন। তিনি এক প্রজন্মের পর দ্বিতীয় প্রজন্মকে, অতঃপর তৃতীয় প্রজন্মকে এই আশায় দাওয়াত দিয়েছেন যে হয়তো তারা ইমান আনবে। কোরআনে তাঁর দাওয়াতের স্বরূপ তুলে ধরে আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয় আমি নুহকে তার সম্প্রদায়ের প্রতি পাঠিয়েছি। সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো। তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো উপাস্য নেই। আমি তোমাদের জন্য একটি মহাদিবসের শাস্তির আশঙ্কা করি। ’
(সুরা : আরাফ, আয়াত : ৫৯)
কিন্তু তাঁর দাওয়াতকে তাচ্ছিল্যভরে প্রত্যাখ্যান করে গোত্রের সরদাররা বলে উঠল, ‘আমরা তোমাকে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতার মাঝে দেখতে পাচ্ছি। ’
(সুরা : আরাফ, আয়াত : ৬০)।
ফলে আল্লাহ তাআলা মুষ্টিমেয় মুমিন নর-নারী ছাড়া তাদের সকলকে ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন করে দেন।
আইএ







