টোকিও অলিম্পিকের স্বর্ণ পদকে শুভঙ্করের ফাঁকি

টোকিও, ২৮ জুলাই – দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ খ্যাত অলিম্পিক গেমসের পর্দা উঠে গত ২৩ জুলাই। চলমান টোকিও অলিম্পিকে ৩৩টি খেলার ৫০টি ডিসিপ্লিনে ৩৩৯টি ইভেন্ট।
অর্থাৎ স্বর্ণ পদকের জন্য লড়ছে ২০৫টি দেশের ১১ হাজার ৩২৪ জন ক্রীড়াবিদ। কিন্তু যে স্বর্ণ পদকের জন্য লড়াই করে ক্রীড়াবিদরা, সেখানে কি আসলেই খাঁটি সোনা দেয়া হয়? আসলে স্বর্ণপদক নাম হলেও সেই পদকের পুরোটা সোনার নয়! এ যেন শুভঙ্করের ফাঁকির মতোই সোনার পদক।
অলিম্পিকের শুরুর দিকে অবশ্য ক্রীড়াবিদদের যে পদক দেয়া হত সেখান খাঁটি সোনার পদক ছিলো। আর সেটা দেখা গেছে ১৯১২ সালে। সেই বছরেই শেষ বিতরণ করা হয়েছিলো খাঁটি সোনার পদক!
তবে এই পদকে যে এক বারেই সোনা নেই তাও বলা যাবে না।১৯১২ সাল থেকে প্রতিটি স্বর্ণপদকে ১ গ্রাম করে সোনা দেয়া হয়। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি নির্ধারিত নিয়মানুসারেই এই বিষয়টি পালন করা হচ্ছে।
চলমান টোকিও অলিম্পিকের পদক বেশ কিছু ক্ষেত্রে আর সববারের চেয়ে ভিন্ন। এই আসরের পদকগুলো বানানো হয়েছে ফেলে দেয়া বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র দিয়ে। বৈদ্যুতিক বর্জ্যপদার্থ গলিয়ে তা থেকে ক্ষতিকর উপাদানগুলো ফেলে দেয়া হয়েছে। বাকিটুকু দিয়েই তৈরি হয়েছে টোকিও অলিম্পিকের পদক।
এর পেছনে মূলত কাজ করছে আরো একটা উদ্দেশ্য। দেশের নাগরিকদেরকে তাদের বৈদ্যুতিক বর্জ্য নিজ উদ্যোগে সরকারের হাতে তুলে দিতে উদ্বুদ্ধ করতেই আয়োজকদের এই প্রয়াস।
পদক নির্মাতাদের দাবি, এই পদকের চকচকে রঙটা ম্লান হবে না কখনোই। আর এ বিষয়টি প্রতিযোগির অম্লান দক্ষতারই একটা নির্দেশক, জানাচ্ছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম।
সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২৮ জুলাই









