পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফল আজ

কলকাতা, ০২ মে – পশ্চিমবঙ্গসহ চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে রোববার। তবে সবার দৃষ্টি যেন কলকাতাতেই।
প্রায় নয় কোটি জনসংখ্যার রাজ্যে এই ভোট শুধু যে ২৯৪ জন প্রতিনিধিকে নির্বাচন করবে তাই নয়। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাজ্যের সাম্প্রদায়িক, সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক চরিত্রেও সম্ভবত একটা বড়সড় পরিবর্তনের দিশা দেখাতে পারে এই ভোটের ফলে।
রোববার রাজ্যের ১০৮টি ভোট গণনাকেন্দ্রে ২৯২টি আসনের ভোট গণনা হবে। এবারের গণনা পদ্ধতির কিছু পার্থক্য রয়েছে। মূলত কোভিডের জন্যই সেই পার্থক্য বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
১০৮টি গণনা কেন্দ্রের জন্য কাউন্টিং হলের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে কাউন্টিং হল ছিল ৩৮৫টি। এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৭০৬টি।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, গণনাকেন্দ্রে ঢুকতে গেলে অবশ্যই হাতে থাকতে হবে দুটি কোভিড টিকা নেয়ার শংসাপত্র অথবা সরকারিভাবে স্বীকৃত স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট-এর নেগেটিভ রিপোর্ট।
বুথফেরত জরিপের ফল ঠিক হলেও এই রাজ্যগুলোর বিধানসভা নির্বাচন ভারতের অন্যতম বিরোধী দল কংগ্রেসের জন্য সুখবর বয়ে আনছে না। টানা দুই মেয়াদ পরে ক্ষমতার বাইরে যেতে হতে পারে তামিল নাড়ুর এআইএডিএমকে।
অপরদিকে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি এবং আঞ্চলিক দল ডিএমকে পালে নতুন হাওয়া লাগবে। আর বামফ্রন্ট আগের চেয়ে কিছুটা শক্তি ফিরে পেতে পারে। দুটি বুথফেরত জরিপে পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের আভাস দেওয়া হয়েছে।
একটি জরিপে এগিয়ে রয়েছে এবার এই রাজ্যে বিপুল আলোচনার জন্ম দেওয়া বিজেপি। আর দুটি বুথফেরত জরিপে বলা হচ্ছে, এই রাজ্যে এবার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এবং কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সরকার গঠনের দৌড়ে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস ও আইএসএফ জোট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
প্রসঙ্গত গত ২৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২৯ মে পর্যন্ত আট দফায় ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। ২৯৪ আসনের রাজ্য বিধানসভার ২৯২ আসনে ভোট হয়েছে।
এন এইচ, ০২ মে









