জাতীয়

জাপানের নারিতায় যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর – চার দিনের সরকারি সফর শেষে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মাঝপথে অপ্রত্যাশিতভাবে পাঁচ ঘণ্টার মতো যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়লেও তা সফলভাবে সমাধান করা হয়।

জাপান সফর শেষ করে দেশের পথে রওনা হওয়ার প্রাক্কালে বড় ধরনের এক ফ্লাইট বিলম্বের মুখে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীরা। বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়, যার ফলে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে আকাশে ওড়ে।

ঠিক কী ঘটেছিল নারিতায়?

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, চার দিনের সফল সরকারি সফর শেষে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হওয়ার কথা ছিল বিমানটির। কিন্তু উড্ডয়নের ঠিক আগমুহূর্তে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফ্লাইটটি যথাসময়ে ছাড়তে পারেনি।

অবশ্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কারিগরি টিম দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দীর্ঘ প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর স্থানীয় সময় সোয়া ১০টার দিকে (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী সোয়া ৭টা) ত্রুটি পুরোপুরি সারিয়ে বিমানটিকে যাত্রার জন্য প্রস্তুত করা হয়। এরপর সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১১টার দিকে ফ্লাইটটি সফলভাবে ঢাকার উদ্দেশ্যে নারিতা ছেড়ে আসে।

বিমানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ ও অফিশিয়াল বক্তব্য

ঘটনার পরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি ফ্লাইটের এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের কথা স্বীকার করে বলেন, “যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই মূলত যাত্রায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে আমাদের কারিগরি দল দ্রুত কাজ করে ত্রুটির সফল সমাধান করেছে। এরপর প্রধানমন্ত্রীসহ বিমানটির সকল যাত্রী নিরাপদে বিমানে উঠেছেন।”

ফ্লাইট শিডিউলে এই গোলযোগের কারণে যাত্রীদের সাময়িক অসন্তোষ ও বিলম্বের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান।

কূটনৈতিক সাফল্য ও ঘরে ফেরার পালা

বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের মতো প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর এই চার দিনের সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শেষে প্রধানমন্ত্রীর এই নিরাপদ প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

এনএন/ ২৯ অক্টোবর ২০২৬

Back to top button
🌐 Read in Your Language