জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী: মানবিক সমাজ গড়ার আহ্বান

ঢাকা, ২৫ আগস্ট – পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ এক বাণীতে তিনি বলেন, মহানবী (সা.) এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর শুভ আগমন মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য ও মহিমান্বিত ঘটনা।

তাঁর আবির্ভাব মানুষের জন্য সত্য ও আলোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। তিনি মানুষকে তাওহিদের দিকে আহ্বান করার পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর পবিত্র জীবন ও কর্ম সমগ্র মানবজাতির জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ ও অনুসরণীয় আদর্শ হয়ে আছে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বাংলাদেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিশ্বের সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি, যিনি মানবজাতির হেদায়াত ও কল্যাণের জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন।

পবিত্র কুরআনের আয়াত উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। মহানবী (সা.) এর জীবন ছিল পবিত্র কুরআনের শিক্ষার বাস্তব প্রতিফলন। তিনি সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা ও দয়ার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বর্তমান বিশ্বের নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ, সংঘাত ও নৈতিক অবক্ষয় মানুষের শান্তি ব্যাহত করছে। এমন সময়ে মহানবীর শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

এছাড়া দেশের তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রতার পথ থেকে দূরে রেখে নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় গড়ে তুলতে মহানবীর জীবন এক অনন্য প্রেরণার উৎস হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।

এস এম/ ২৫ আগস্ট ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language