জাতীয় সংসদে তোফায়েল আহমেদসহ বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত

ঢাকা, ৭ জুন – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দেশি বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ শোক প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে সংসদে গৃহীত হয়। প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরে সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান মোনাজাত পরিচালনা করেন।
শোক প্রস্তাবে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও মোশাররফ হোসেনের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এ বি এম আনোয়ারুল হক ও মোসলেম উদ্দিনের প্রয়াণেও শোক জানানো হয়। সাবেক মন্ত্রী শফিক আহমেদ এবং দশম সংসদের স্বতন্ত্র সদস্য আবদুল মতিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সংসদ।
বিএনপি সরকারের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা, অধ্যাপক এম এ মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জি এম ফজলুল হক, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সারসহ আরও অনেকের মৃত্যুতে শোক জানানো হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের প্রয়াণেও সংসদ শোক প্রকাশ করেছে।
সংস্কৃতি ও শিক্ষা অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন, সঙ্গীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী ও ডালিয়া নওশীন এবং লেখক বদরুদ্দীন উমরের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
ধর্ষণের পর হত্যার শিকার মিরপুরের শিশু রামিসা, চট্টগ্রামের ফাহিমা মিম এবং নরসিংদীর আমিনা ও তাবাসসুম আক্তারের মৃত্যুতেও গভীর দুঃখ প্রকাশ করে সংসদ।
তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের কথা স্মরণ করে শোক প্রস্তাবে বলা হয় যে, তিনি উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই নেতা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন দক্ষ রাজনীতিবিদকে হারাল।
সংসদের রীতি অনুযায়ী শোক প্রস্তাবের একটি অনুলিপি প্রয়াত ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এনএন/ ৭ জুন ২০২৬









