সৌদিতে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন বাহিনীর ৫টি যুদ্ধবিমান

রিয়াদ, ১৪ মার্চ – যুদ্ধ শুরুর পর গত ১৪ দিনে ইরানের হামলায় সৌদি আরবে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে থাকা এই পাঁচটি উড়োজাহাজই রিফুয়েলিং বিমান। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গত কয়েক দিনে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। উড়োজাহাজগুলো মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব বলে জানানো হয়েছে। এই পাঁচ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
অন্যদিকে গত শুক্রবার ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি কেসি ১৩৫ রিফুয়েলিং যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। চালক ও সহচালকসহ বিমানটিতে মোট ছয়জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন এবং বাকি দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহের জন্য রিফুয়েলিং বিমান ব্যবহার করা হয়।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ২১ দিন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। কোনো সমঝোতা ছাড়াই এই সংলাপ শেষ হয়। এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন সামরিক বাহিনী অপারেশন এপিক ফিউরি এবং ইসরায়েল অপারেশন রোয়ারিং লায়ন নামের সামরিক অভিযান শুরু করে।
এসব হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু করে। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের এই হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
এনএন/ ১৪ মার্চ ২০২৬









