ট্রাম্প ও ইরান সংঘাত নিয়ে মিলে গেল ‘চীনা নস্ট্রাডামাসে’র ভবিষ্যদ্বাণী

বেইজিং, ৫ মার্চ – সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন শুইচিন জিয়াং নামের এক অধ্যাপক। ২০২৪ সাল নিয়ে করা তাঁর তিনটি বড় ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে দুটি হুবহু মিলে যাওয়ায় তাঁকে নেটিজেনরা ‘চীনের নস্ট্রাডামাস’ হিসেবে অভিহিত করছেন।
তাঁর সফল ভবিষ্যদ্বাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাতের সূচনা।
শুইচিন জিয়াং মূলত একজন চীনা-কানাডীয় শিক্ষাবিদ, লেখক এবং ইতিহাস বিশ্লেষক। যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা এই অধ্যাপক বর্তমানে বেইজিংয়ে ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ে পাঠদান করেন এবং শিক্ষা সংস্কার নিয়ে কাজ করেন।
‘প্রেডিকটিভ হিস্ট্রি’ নামক ইউটিউব চ্যানেলে তিনি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, ভূ-রাজনীতি এবং গেম থিওরি বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন। তাঁর এই বিশ্লেষণ পদ্ধতিটি সায়েন্স ফিকশন ধারণা ‘সাইকোহিস্ট্রি’ দ্বারা কিছুটা অনুপ্রাণিত। ২০২৪ সালের একটি বক্তৃতায় তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট হবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সামরিক সংঘাত শুরু হবে।
তবে তাঁর তৃতীয় ভবিষ্যদ্বাণীটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ উদ্বেগজনক। তাঁর মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে অথবা পরাজিত হতে পারে।
নিজের যুক্তির পক্ষে তিনি ইরানের দুর্গম পাহাড়ি ভৌগোলিক অবস্থান এবং বিশাল জনসংখ্যার কথা উল্লেখ করেন। তিনি মনে করেন, দীর্ঘ সরবরাহ লাইনের কারণে বিদেশি সেনাদের পক্ষে দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হবে।
ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি প্রাচীন গ্রিসের সিসিলি অভিযানের মতো বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এনএন/ ৫ মার্চ ২০২৬









