জাতীয়

আইন সংশোধনের মাধ্যমে শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব : স্পিকার

ঢাকা, ৩১ মার্চ – বাংলাদেশে ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম সম্পূর্ণ নিরসন হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম সম্পূর্ণ নিরসন হবে, কেননা বিদ্যমান আইনের সংশোধনসহ সার্বিকভাবে শিশুদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’

বুধবার (৩১ মার্চ) গণস্বাক্ষরতা অভিযান এবং সিএসও এলায়েন্সের উদ্যোগে ‘নো চাইল্ড লেবার: ফেয়ার সেয়ার টু এন্ড এক্সপ্লয়টেসন’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্পিকার এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন : করোনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

স্পিকার বলেন, ‘শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণের এখনই সময়। দারিদ্র্য বিমোচন, অসমতা দূরীকরণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বিদ্যমান আইনের সংশোধনের মাধ্যমে বৈশ্বিকভাবে শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব। পাশাপাশি শিশুদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে কেননা, তারা সামাজিক সম্পদ যা স্থানীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আইন করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে দারিদ্র্য ৪০-২১ শতাংশে নেমে এসেছে। দরিদ্র শিশুদের বিদ্যালয়গামী করতে সরকার কাজ করছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি বাংলাদেশ শিশুশ্রমের অবসানের দিক থেকেও এগিয়ে আছে।’

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘অসমতা শিশুশ্রমের একটি অন্যতম কারণ। অসমতা দূরীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন। অসমতা দূরীকরণের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মূল ধারার অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে হবে। অসমতা দূর করে নারীদের মূল ধারার অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে হবে। কারণ, মায়েরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলে শিশুশ্রম নিরসন হয়ে আসবে। ফলশ্রুতিতে, শিশুরা অধিকতর বিদ্যালয়গামী হবে। এজন্য সমাজের সকল স্তরের মানুষের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।’

গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নোবেল বিজয়ী কৈলাশ সত্যর্থী, সংসদ সদস্য আরমা দত্ত, ফজলে হোসেন বাদশাহ, শিরিন আকতার, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে একশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি তমু হওজুমি, এমজেএফ-এর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তুওমো পৌতিয়ানেন প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

সূত্র : বার্তা২৪
এন এইচ, ৩১ মার্চ

Back to top button