সৌদি আরবের দুই বিমানবন্দরে হামলা, ৩ জন আহত

রিয়াদ, ০৬ অক্টোবর- ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাজানের কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জাকা) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলায় বিমানবন্দর দুটির অবকাঠামোর বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তিনজন সামান্য আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জরুরি সেবা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত কার্যপ্রণালি অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে। বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রী, কর্মী এবং দেশের সামগ্রিক বেসামরিক বিমান পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কাজ করছে।
সরকারি বিবৃতিতে সরাসরি হামলার জন্য কোনো পক্ষকে দায়ী করা হয়নি। তবে এর আগে সোমবার ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা জাজান ও নাজরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করে।
এ ছাড়া গ্রুপটি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আবহা বিমানবন্দর, রাবিঘে অবস্থিত আরামকোর একটি শোধনাগার এবং বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনাতেও হামলা চালানোর দাবি করেছে।
সৌদি আরব বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোতে হুথিদের এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং গ্রুপটির বিরুদ্ধে সামরিক উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগ করেছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরেই সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে তীব্র সংঘাত চলছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটির দিকে আসা একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার খবর জানিয়েছে।
এস এম/ ০৬ অক্টোবর ২০২৬
FAQ
জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে কী ঘটেছে?
৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় সৌদি আরবের জাজান ও নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা হয়। এতে বিমানবন্দর স্থাপনার ক্ষতি এবং তিনজনের সামান্য আঘাতের কথা জানিয়েছে সৌদি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
হামলায় কতজন আহত হয়েছেন?
সৌদি কর্তৃপক্ষের হিসাবে তিনজন সামান্য আহত হয়েছেন এবং তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
হামলার জন্য কি হুথিদের দায়ী করা হয়েছে?
সৌদি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে সরাসরি কোনো পক্ষের নাম বলা হয়নি। তবে হুথিরা একই সময়ে জাজান ও নাজরানসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হামলার দাবি করেছে।
আর কোন স্থানে হামলার দাবি করেছে হুথিরা?
হুথিরা রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আবহা বিমানবন্দর, রাবিঘে আরামকোর একটি শোধনাগার এবং কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। এসব দাবির সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
বিমানবন্দরগুলোর কী ক্ষতি হয়েছে?
GACA জানিয়েছে, বিমানবন্দর দুটির অবকাঠামোয় বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট পরিমাণ বা বিস্তারিত তালিকা কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেনি।







