মধ্যরাতে সারপ্রাইজ ভিসিট! হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পর্যটনমন্ত্রী, ট্রলি সংকট নিয়ে কঠোর বার্তা

ঢাকা, ০৩ অক্টোবর – হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান সরেজমিনে পরখ করতে গভীর রাতে আচমকা উপস্থিত হলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই বিমানবন্দরে হাজির হন তিনি। পরিদর্শনকালে সার্বিক লাগেজ ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করলেও যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরে দ্রুত ট্রলির সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।
মধ্যরাতের সারপ্রাইজ ভিসিট: ঘুরে দেখলেন লাগেজ বেল্ট
শুক্রবার রাতে হঠাৎ বিমানবন্দরে প্রবেশ করেই মন্ত্রী সরাসরি চলে যান ব্যাগেজ ডেলিভারি এলাকায়। সেখানে লাগেজ বেল্টের সামনে অপেক্ষারত দেশি-বিজ্ঞাপন ও বিদেশি যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি।
বিমান থেকে নামার পর লাগেজ পেতে কতক্ষণ সময় লাগছে, ডেলিভারি সিস্টেমে কোনো ভোগান্তি রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে সরাসরি প্রবাসীদের মুখে অভিজ্ঞতা শোনেন পর্যটনমন্ত্রী।
যাত্রীদের মুখে সন্তুষ্টির সুর, তবুও বাড়তি নজরদারির নির্দেশ
মন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে লাগেজ পাওয়ার ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান যাত্রীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লাগেজ হাতে পাওয়ায় বিমানবন্দরের বর্তমান ডেলিভারি সেবা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
তবে যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করলেও যাত্রীসেবায় কোনো ঢিলেমি বরদাশত করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন:
- ট্রলির সংখ্যা বৃদ্ধি: বিমানবন্দরে যাত্রীদের ওঠানামায় ব্যাগেজ পরিবহনে যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সেজন্য অবিলম্বে আরও নতুন ট্রলি সংযোজনের নির্দেশ দেন।
- সেবার মানোন্নয়ন: যাত্রী সেবা ও সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রম যেন আরও মসৃণ ও দ্রুত হয়, সে বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সর্বদা সতর্ক থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন।
উপস্থিত ছিলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
মন্ত্রীর এই ঝটিকা সফরকালে বিমানবন্দরে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন। মন্ত্রী তাদের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পরামর্শ দেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশ থেকে বের হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এনএন/ ০৩ অক্টোবর ২০২৬







