বাংলাদেশে সাড়ে তিন বছরের দায়িত্বকে বড় সম্মানের বললেন বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর- বাংলাদেশে প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালনের পর বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, এ দেশে তিন বছর নয় মাস দায়িত্ব পালন করা তাঁর জন্য বড় সম্মানের বিষয়।
রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে তিনি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে কথা বলেন।
চীনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস
ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় চীন ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান তিনি। বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী চলতি বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশ সফরে আসতে আগ্রহী।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত তাঁর পারিবারিক সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর বাবা বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছিলেন।
সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর ও বিস্তৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকে দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তাঁর নতুন দায়িত্বের সাফল্য কামনা করেন।
হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে ইয়াও ওয়েনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশে তাঁর কর্মকাণ্ড দৃশ্যমান ছিল। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর সফল করতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ইয়াও ওয়েনের দায়িত্ব পালনের সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক ‘শেয়ার্ড কমিউনিটি’ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান পর্যায়ের যোগাযোগের পাশাপাশি পররাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ ব্যবস্থা শিগগির চালুর কথাও তিনি জানান।
সাক্ষাৎ শেষে হুমায়ুন কবির বলেন, ভবিষ্যতে তাঁদের পথ আবার একসঙ্গে মিলিত হবে বলে তিনি আশা করেন এবং ইয়াও ওয়েনের দায়িত্ব পালনের সময়কে বাংলাদেশ আনন্দের সঙ্গে স্মরণ করবে।







