সংবিধান সংশোধন কমিটির সভা বয়কটের কারণ জানাতে সংবাদ সম্মেলন করবে ১১ দলীয় ঐক্য

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর- সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের মতে, গণভোটের মাধ্যমে দেশের জনগণ সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে স্পষ্ট রায় দিয়েছে, সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়। গণভোটের রায়ের পর নতুন করে সংবিধান সংশোধনের জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করাকে জনগণের মতামতের পরিপন্থী বলে মনে করছেন জোটের শীর্ষ নেতারা। এ কারণেই বিশেষ কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জানান, বিশেষ কমিটি গঠনের মাধ্যমে সরকার জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কোনো জনবিরোধী পদক্ষেপে সহায়তা না করতেই তারা এই সভা বয়কটের পথ বেছে নিয়েছেন। আজকের সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে নিজেদের পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরবে জোটটি।
এস এম/ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
FAQ
১. ১১ দলীয় ঐক্য কেন বিশেষ কমিটির বৈঠকে অংশ নেয়নি?
জোটটির বক্তব্য, গণভোটে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংস্কারের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংস্কার এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই কারণেই তারা মতবিনিময়ে অংশ নেয়নি।
২. ২০২৬ সালের গণভোটে কী ফল হয়েছিল?
সরকারি ফলাফলে বৈধ ভোটের ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ এবং ৩১ দশমিক ৪১ শতাংশ ‘না’ ভোট ছিল।
৩. ১১ দলীয় ঐক্যের প্রধান দাবি কী?
জোটের প্রধান দাবি হলো গণভোটে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংস্কার এবং সেই সংস্কার বাস্তবায়নের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।
৪. সংবাদ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
৫. ১১ দলীয় ঐক্য কি পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে?
জোটটি জানিয়েছে, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।







