হুথিদের হামলায় সৌদির জিজানে মসজিদ-ঘরবাড়ি ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, আহত ২

রিয়াদ,১৩ সেপ্টেম্বর- ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী জিজান প্রদেশে একটি মসজিদসহ বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্তান প্রদেশে আঘাত হানে। এতে আল-তুয়াল এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জিজান ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন একটি প্রদেশ। ফলে সৌ হয়েছে। এ সময় দুজন আহত হয়েছেন।
সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হুথিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা চালকবিহীন উড়োজাহাজ জিজান প্রদেশে আঘাত হানে। এতে আল-তুয়াল এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জিজান ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন একটি প্রদেশ। ফলে সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, বেসামরিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।
অন্যদিকে হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবে বড় ধরনের হামলা চালায় হুথিরা। সেদিন আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে নারী ও শিশুসহ ৭৩ জন আহত হন।
এদিকে গত সপ্তাহে লোহিত সাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযান শুরু করে হুথিরা। কয়েক দিনের মধ্যেই তারা সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে কয়েকশ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা দখলে নেয়। এর ফলে লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে ইয়েমেন সরকারের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই কমে গেছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, হুথিদের এই লড়াইয়ে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছেন। সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।
উল্লেখ্য, হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। এরপর কয়েক বছর ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাত দেখা যায়নি। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলায় সেই আপাত শান্তি ভেঙে আবারও সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এস এম/ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬







