গুম প্রতিরোধে কঠোর আইনের প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা, ২৯ আগস্ট – আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে গুম হওয়া ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার দিবসটি উপলক্ষে আগের রাতে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্সকে বিশ্বের অন্যতম নিকৃষ্ট ও ভয়ংকর অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং বৈশ্বিক সমস্যা।
সাধারণত স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ এলাকায় ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতাদের দমনে এই অমানবিক পথ বেছে নেওয়া হয়। তারেক রহমান বলেন পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করতে গুম ও অপহরণের পথ বেছে নিয়েছিল। গুম হওয়া ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল গোপন বন্দিশালা যা আয়নাঘর নামে পরিচিত।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী বিগত সরকারের আমলে কমপক্ষে সাত শতাধিক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। বর্তমান সরকার প্রতিটি ঘটনার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এমন জঘন্য অপরাধ বন্ধ করতে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬ উত্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে গুম কেবল একজন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয় বরং একটি পরিবারের স্বপ্ন ও ভবিষ্যতের বিনাশ। ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানের পর কেউ কেউ ফিরে আসলেও ইলিয়াস আলী কিংবা চৌধুরী আলমের মতো অনেকের সন্ধান আজও মেলেনি।
প্রধানমন্ত্রী এই অপরাধে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে ঐক্য ও সংহতির আহ্বান জানান।
এনএন/ ২৯ আগস্ট ২০২৬









