ফুটবল

সতীর্থদের ভোটে পিএফএ বর্ষসেরা ফুটবলার হলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ

লন্ডন, ২৬ আগস্ট – প্রিমিয়ার লিগের মৌসুমসেরা ফুটবলারের খেতাব জেতার পর এবার সতীর্থ ফুটবলারদের ভোটেও বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ। গত মৌসুমে অসামান্য নৈপুণ্য প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রফেশনাল ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের এই সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করেন ৩১ বছর বয়সী এই তারকা।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে গত মৌসুমে রেকর্ড ২১টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি ৯টি গোল করেন ফার্নান্দেজ। কোচ মাইকেল ক্যারিকের অধীনে দলটি দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় স্থান অর্জন করে এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে তিনি আগেই প্রিমিয়ার লিগের মৌসুমসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন।

এবার সতীর্থদের ভোটে পিএফএ বর্ষসেরা হয়ে নিজের অর্জনের ঝুলিতে আরও একটি বড় সাফল্য যুক্ত করলেন তিনি। ফার্নান্দেজের এই অর্জনের মাধ্যমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড একটি নতুন রেকর্ড গড়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১২ জন ফুটবলার এই ক্লাবটি থেকে পিএফএ বর্ষসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

পাশাপাশি দ্বিতীয় পর্তুগিজ ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কার জিতলেন ফার্নান্দেজ। এর আগে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে টানা দুবার এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০২০ সালে স্পোর্তিং সিপি থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পর ফার্নান্দেজ এ পর্যন্ত ৩১৪ ম্যাচে ১১০টি গোল ও ১০৬টি অ্যাসিস্ট করেছেন।

এদিকে পিএফএ উইমেন’স প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড খাদিজা মনিফা শ। জ্যামাইকান এই ফরোয়ার্ড গত মৌসুমে উইমেন’স সুপার লিগে সর্বোচ্চ ২১টি গোল করেন। এছাড়া বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলার হয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির নিকো ও’রাইলি এবং উইমেন’স ইয়াং প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছেন আর্সেনালের অলিভিয়া স্মিথ।

পিএফএ বর্ষসেরা একাদশে সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড় স্থান পেয়েছেন চ্যাম্পিয়ন দল আর্সেনাল থেকে। একাদশে গোলরক্ষক হিসেবে রয়েছেন দাভিদ রাইয়া। রক্ষণভাগে গাব্রিয়েল মাগালায়েস, নিকো ও’রাইলি, উইলিয়াম সালিবা ও জুরিয়েন টিম্বার। মাঝমাঠে ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ডেক্লান রাইস ও রায়ান শের্কি এবং আক্রমণভাগে আর্লিং হলান্ড, আন্তোয়ান সেমেনিও ও ইগো চিয়াগো স্থান পেয়েছেন।

এস এম/ ২৬ আগস্ট ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language