ইসলামাবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে সেনাসদস্যের গুলি, তোলপাড়

ইসলামাবাদ, ২৫ আগস্ট – পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের সারহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর এক সেনাসদস্যের হামলা ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রাওয়াত ক্যাম্পাসে ফি বৃদ্ধি ও ক্লাসের সময়সূচি নিয়ে চলমান বিক্ষোভ চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে ব্যর্থ হয়ে স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান ডা. আইনা তার স্বামীকে সেখানে ডেকে পাঠান। ডা. আইনার স্বামী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন দায়িত্বরত কর্মকর্তা।
অভিযোগ রয়েছে, ইউনিফর্ম পরিহিত ওই কর্মকর্তা ক্যাম্পাসে এসে প্রথমে লাঠি দিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর করেন। এরপর তিনি নিজের সরকারি পিস্তল বের করে আকাশে গুলি ছোড়েন এবং নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের দিকে অস্ত্র তাক করেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত সেনাসদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রদান করা হয়নি। উল্লেখ্য যে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে সেনাবাহিনীর কথিত দমন পীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ করে আসছেন।
এস এম/ ২৫ আগস্ট ২০২৬









