মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

ঢাকা, ১ জুন – আফ্রিকার আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের সময় জীবন উৎসর্গকারী ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক প্রদান করা হবে।
আগামী ৫ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক তুলে দেবেন।
জাতিসংঘের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে পদকটি পেতে যাওয়া বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী হলেন মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা ও সান্ত মণ্ডল। ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ওই অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালনের সময় প্রাণ হারানো প্রায় সাড়ে চার হাজার শান্তিরক্ষীর স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এ ছাড়া গত বছর নিহত ৫৯ জনসহ মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক দেওয়া হবে।
বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সামরিক ও পুলিশ সদস্য পাঠানোর দিক দিয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ। আবেই, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, সাইপ্রাস, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, লিবিয়া, দক্ষিণ সুদান ও পশ্চিম সাহারায় পরিচালিত মিশনগুলোয় ২৭৭ জন নারীসহ ৪ হাজারের বেশি বাংলাদেশি সদস্য কর্মরত আছেন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বিভিন্ন দেশে ৫০ হাজারের বেশি বেসামরিক, সামরিক ও পুলিশ শান্তিরক্ষী কাজ করছেন। ১১৮টি দেশ ১১টি জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে জনবল সরবরাহ করছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০২ সালে এই দিবসটি ঘোষণা করে। ১৯৪৮ সালে প্রথম জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন গঠনের স্মরণে ২৯ মে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল শান্তিতে বিনিয়োগ।
এনএন/ ১ জুন ২০২৬









