উত্তর আমেরিকা

ইরানের ৫০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ওয়াশিংটন, ৩০ এপ্রিল – যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট দাবি করেছেন যে ওয়াশিংটন ইরানের প্রায় ৫০ কোটি ডলার বা অর্ধ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করেছে। দেশটির পরিচালিত অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি এর প্রভাবে তেহরান সরকার বর্তমানে চরম সংকটের মুখে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট জানান যে তারা এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছেন। সম্প্রতি এর সঙ্গে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে।

সব মিলিয়ে বর্তমানে জব্দকৃত সম্পদের পরিমাণ ৫০০ মিলিয়নের কাছাকাছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলোও জব্দ করা হচ্ছে। বেসেন্ট আরও জানান যে গত বছরের মার্চ মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বিশেষ অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রায় তিন সপ্তাহ আগে এই চাপের মাত্রা আরও বাড়ানোর আদেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য বিভিন্ন বিদেশি সরকার ও বেসরকারি কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন যে যেসব দেশ এখনও ইরানি তেল কিনছে তাদের শিল্প প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকগুলোর ওপর সেকেন্ডারি স্যাংশন বা গৌণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত রয়েছে। মার্কিন অর্থ দপ্তরের মতে এই বিশেষ অভিযান এবং ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ দেশটির অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে তেহরান মার্কিন এই দাবি ও অভিযানকে উপহাস করে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কেবল তেলের দামই বাড়বে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বেসেন্টের এই মন্তব্যগুলোকে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন।

এস এম/ ৩০ এপ্রিল ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language