গাজায় ১৯ বছর পর ভোট: এগিয়ে মাহমুদ আব্বাসের সমর্থকরা

গাজা, ২৭ এপ্রিল – দীর্ঘ ১৯ বছর পর গাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিরল এক নির্বাচন। চলমান মানবিক সংকট ও যুদ্ধের মধ্যে গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত এই পৌর নির্বাচনে জয় পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস সমর্থিত প্রার্থীরা। ২০০৭ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ হামাসের হাতে যাওয়ার পর এটিই সেখানে প্রথম কোনো নির্বাচন। একই সাথে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত শুরুর পর এটিই গাজাবাসীর প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ।
রবিবার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার সময় ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মাদ মুস্তাফা এই ভোটগ্রহণকে একটি সংবেদনশীল ও ব্যতিক্রমী সময়ের সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে এই নির্বাচন ছিল মূলত প্রতীকী ও পরীক্ষামূলক। এর মাধ্যমে গাজা যে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ তা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। নির্বাচনে হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থী না দিলেও দেইর আল-বালাহতে তাদের সমর্থিত একটি তালিকা দুটি আসন লাভ করেছে।
অন্যদিকে মাহমুদ আব্বাসের দল ফাতাহ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সমর্থিত তালিকা ছয়টি আসনে জয়ী হয়েছে। বাকি আসনগুলোতে জয় পেয়েছে স্থানীয় বিভিন্ন স্বতন্ত্র গোষ্ঠী। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে গাজায় ভোটার উপস্থিতি ছিল ২৩ শতাংশ এবং পশ্চিম তীরে ছিল ৫৬ শতাংশ। ইসরায়েলি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক স্থানে ব্যালট বাক্স ও নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। রাজনৈতিক এই বার্তা ফিলিস্তিনিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাধারণ মানুষের কাছে এই মুহূর্তে খাদ্য, পানি ও নিরাপত্তা বেশি জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এস এম/ ২৭ এপ্রিল ২০২৬









