ইরানের তেল খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এবং কঠোর নিষেধাজ্ঞা

ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল – হরমুজ প্রণালীতে ইরানের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে দেশটির তেল শিল্পের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে যে এই নিষেধাজ্ঞার প্রধান লক্ষ্য হলো তেল পরিবহন অবকাঠামো। এর আওতায় পেট্রোলিয়াম শিপিং টাইকুন মোহাম্মদ হোসেন শামখানির নেটওয়ার্কের অধীনে পরিচালিত দুই ডজনেরও বেশি ব্যক্তি এবং কোম্পানির ওপর বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে অর্থনৈতিকভাবে আগ্রাসী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি জানান যে শামখানি পরিবারের মতো যারা ইরানি জনগণের স্বার্থ ক্ষুন্ন করে লাভবান হচ্ছে তাদের লক্ষ্য করেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোহাম্মদ হোসেন শামখানি হলেন নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী শামখানির ছেলে যিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা ছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের শুরুতে এক যৌথ হামলায় তাদের মৃত্যু হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে হরমুজ প্রণালীকে জিম্মি করার প্রচেষ্টার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানের রাজস্ব আয়ের পথ সীমিত করা হচ্ছে।
বর্তমানে ইরান ও ইসরায়েল উত্তেজনার জেরে হরমুজ প্রণালীতে যান চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট আরও জানায় যে তারা অস্থায়ীভাবে তেলের ওপর থাকা ছাড়ের মেয়াদ আর বাড়াবে না। এছাড়া ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর অর্থদাতা হিসেবে পরিচিত সৈয়দ নাইমাঈ বদরুদ্দিন মুসাভি এবং ভেনেজুয়েলার স্বর্ণের বিনিময়ে ইরানি তেল বিক্রির সঙ্গে যুক্ত তিনটি কোম্পানির বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এস এম/ ১৬ এপ্রিল ২০২৬









