উত্তর আমেরিকা

দক্ষিণ আফ্রিকায় সাহায্য দেয়া বন্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

 

 

ওয়াশিংটন, ০৩ ফেব্রুয়ারি – মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত ২০ জানুয়ারি শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিশানায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকায় এক শ্রেণির মানুষের সঙ্গে ভীষণ বাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেন ট্রাম্প। তবে ওই ঘটনার তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকাকে সবরকম সাহায্য দেয়া বন্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের।

প্রেসিডেন্ট হিসাবে ট্রাম্পের প্রথম জমানা থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। তখন দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রচুর শ্বেতাঙ্গ কৃষককে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল। তাদের জমি জবরদখলেরও অভিযোগ উঠেছিল। যদিও সেগুলির সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। ট্রাম্প সেই সময় অসমর্থিত সূত্রে পাওয়া ওই দাবিগুলির তদন্তের কথা বলেছিলেন। এবার দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তিনি।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা নির্দিষ্ট এক শ্রেণির (শ্বেতাঙ্গ) লোকদের সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করছে এবং জমি দখল করে নিচ্ছে। যদি খুব কম করেও বলা হয়, তা হলে উল্লেখ করতে হবে একটি ব্যাপক আকারে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। সবার চোখের সামনেই তা ঘটছে। আমেরিকা এটিকে সমর্থন করে না।

আমরা এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেব। এর পরেই তিনি জানান, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকাকে সবরকম আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দেবে আমেরিকা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য পাঠায় আমেরিকা। হোয়াইট হাউসের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৪ কোটি ডলার আর্থিক সাহায্য পাঠিয়েছে আমেরিকা।

বস্তুত, ইসরায়েল ও মিশর ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমেরিকার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) সাহায্য ৯০ দিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫


Back to top button
🌐 Read in Your Language