ভুল চিকিৎসায় সিআইপি কন্যার চোখ নষ্ট, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

ময়মনসিংহ, ১১ আগস্ট – ভুল চিকিৎসায় সিআইপি আমিনুল হক শামীম কন্যা মাহজাবীন হক মাশার চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগে ময়মনসিংহের আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
বুধবার (৯ আগষ্ট) ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলায় আসামি হয়েছেন ঢাকার সোবানবাগ এলাকার দীন মোঃ চক্ষু হাসপাতাল এন্ড রিসার্স সেন্টারের চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাক্তার দীপক নাগ।
মামলার বাদি ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশার ছোট ভাই বর্তমান এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো: সামিউল হক সাফা খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালী মডেল থানাকে এফআইআরভুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এবিএম নুরুজামান খোকন।
মামলা পরিচালকারী অন্য আইনজীবীর হলেন- ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান এবং পীযুষ কান্তি সরকার।
ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক ও সিআইপি মো: আমিনুল হক শামীমের জ্যেষ্ঠ কন্যা। মাশার স্বামী এসএসএফের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।
বাদির অভিযোগ, গত জুন মাসে মাহজাবীন হক মাশার চোখের সমস্যা হওয়ায় দীন মোঃ চক্ষু হাসপাতাল এন্ড রিসার্স সেন্টারে চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাক্তার দীপক নাগের চিকিৎসা নেন।
এ সময় ডাক্তার দীপক নাগ মাশার চোখে লেজার প্রতিস্থাপন করেন। কিন্তু লেজার লাগানোর পর চোখে অন্ধকার দেখা শুরু করে মাশা।
এই অবস্থায় মাশাকে জাতীয় চক্ষু ইন্সটিটিউট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান লেজার স্হাপনের কারণে মাশার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে।
পরে মাশাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুন গ্র্যাড হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান ভুল চিকিৎসার কারণে মাশার চোখের রেটিনার ৩৩ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।
বাদি সামিউল হক সাফা বলেন, চোখে অতিরিক্ত লেজার লাগানোর কারণে আমার বোনের এত বড় ক্ষতি হয়েছে। আমি এই ঘটনার উপযুক্ত ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি।
ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কোন ঘটনা আর না ঘটে। একজন সচেতন মানুষ হিসেবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।
সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ
এম ইউ/১১ আগস্ট ২০২২









