বিচিত্রতা

ফেসবুকে ছবি পোস্ট, ৪৭ বছর পর ৫ বান্ধবীর খোঁজ

সেই ১৯৭৫ সালের কথা। তখন স্কুলে পড়ার সময় ঢাকার শেরেবাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তোলা হয়েছিল ৭ বান্ধবীর একটি ছবি। ৪৭ বছর পর সেই ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে শৈশবের পুরনো বান্ধবীদের খুঁজে পেয়েছেন দিলখোশ বেগম পুতুল।

‘বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র’ নামক ফেসবুক গ্রুপে ১৪ জুলাই পুতুলের মেয়ে খুশনোদ নাজনীন ছবিটা পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লিখেন- ‘ছবিটি ১৯৭৫ সালের শেরেবাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয় (নারী শিক্ষা মন্দির) এর বিদায় সংবর্ধনায় তোলা। নিচে সর্ব বামে আমার আম্মু (দিলখোশ বেগম পুতুল), তার পাশে সেলিনা বেগম পারুল ও সাবেরা বেগম। ওপরে সর্ব বাম থেকে রোওশন আরা নিলু, রুবি, ঝুমা ও হাওয়া। পুরনো ছবি ঘাঁটতে গিয়ে পেলাম। ওই দিনটাকে স্মৃতি স্বরুপ রাখার জন্য ছবিটি তোলা। আজ কারোর সাথে কারোর যোগাযোগ নেই।’ সেই পোস্টে একের পর এক মন্তব্য আসতে শুরু করে। আর তারপরই ঘটে বিস্মিত ঘটনা। সেখানে প্রথমে কমেন্ট করেন ছবির ক্যাপশনের ঝুমা। ঝুমা আব্দুল্লাহ নামের একটি আইডি থেকে তিনি কমেন্ট করেন, সবাইকে শুভেচ্ছা, আমি ঝুমা। এরপরই নীলু। তিনি রওশন আরা নামে একটি আইডি থেকে মন্তব্য করে লিখেন, ‘আমি নীলু, আমার সাথে যোগাযোগ কর। ’

ছবি: ইন্টারনেট

সেদিন প্রথম দিলখোশ বেগমের কথা হয় ঝুমা আবদুল্লাহর সঙ্গে। দিলখোশ বেগম বলেন, ‘ঝুমাকে বললাম, বল তো আমি কে? ও আমাকে পুতুল বলে ডাকল। ওই নামেই স্কুলে ডাকত। মনের অজান্তেই সেই স্কুলের দুরন্ত বালিকা হয়ে গেলাম। আমাদের মধ্যে মান–অভিমান চলল (হাসি)। কেন আগে কেউ খবর নিইনি। ঝুমা বলল, সে–ও তিন বছর আগে এই একই ছবি পোস্ট করে আমাদের খুঁজেছে। তখন কাউকে না পেয়ে হতাশ হয়েছে। এখন ভালো লাগছে। হারানো সম্পদ ফিরে পেয়েছি। ইতোমধ্যে চার বান্ধবীর সঙ্গে দেখা হয়েছে। যদিও অসুস্থতার কারণে দুইজন এবং বিদেশে থাকার কারণে একজন আসতে পারেনি।

এম ইউ


Back to top button
🌐 Read in Your Language