অপু-হাফিজের ঘূর্ণির পর সৌম্যর ব্যাটে মোহামেডানের প্রথম জয়

ঢাকা, ১৯ মার্চ – হার দিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল) শুরু হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই জয়ের দেখা পেলো দলটি। নাজমুল ইসলাম অপু-মোহাম্মদ হাফিজের ঘূর্ণি আর সৌম্যর অপরাজিত ফিফটিতে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির বিপক্ষে সাদা-কালো শিবির ৫ উইকেটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
শনিবার (১৯ মার্চ) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় মোহামেডান-খেলাঘর। টস জিতে খেলাঘরকে ব্যাটিংয়ে পাঠান মোহামেডানের অধিনায়ক শুভাগত। ব্যাটিং করতে নেমে অপু-হাফিজের ঘূর্ণিতে টালমাটাল খেলাঘর ৪৯ ওভারে ১৪৮ রান করতেই সবকটি উইকেট হারায়। রান তাড়া করতে নেমে ৪০.১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মোহামেডান।
৫৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সৌম্য সরকার। ধীরগতিতে ব্যাটিং করা সৌম্য ফিফটি পেয়েছেন ৯২ বলে ১টি মাত্র চারের মারে। রান কম থাকায় মন্থর ব্যাটিংয়ে মনোযোগ ছিল এই বাঁহাতির। সালমান হোসেন ইমনের করা ৪১তম ওভারের প্রথম বলে লং অনে চার মেরে দলকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে।
জয় থেকে মোহামেডান যখন ৪ রান দূরে তখন সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক শুভাগত। মাসুম খান টুটুলের বলে ফাইন লেগে ধরা পড়েন সালমানের হাতে। ১৭ বলে ১৬ রান করেন তিনি। এ ছাড়া পারভেজ হোসেন ইমন ৩৬ ও আরিফুল ইসলাম করেন ৩০ রান।
লক্ষ্য দেড়’শর কম হলেও মোহামেডানের শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে হোসেন আলীর তোপে পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরেন রনি তালুকদার-হাফিজ। তৃতীয় বলে শর্ট মিড অফে ক্যাচ তুলে রনি, দৌড়ে এসে নিজেই ধরেন হোসেন। তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৪ রান। পরের বলে হাফিজ এসেই পয়েন্টে ক্যাচ তুলে দেন ইফতেখার সাজ্জাদের হাতে। ০ রানে ফেরেন পাকিস্তানি এই তারকা ব্যাটসম্যান। প্রথম ম্যাচেও ব্যর্থ ছিলেন হাফিজ। ৪ রান করে ফেরেন সাজঘরে। খেলাঘরের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন হোসেন আলী ও মাসুম।
এর আগে অপু-হাফিজ খেলাঘরকে কম রানে আটকে জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়েছেন। দুই ওপেনার পিনাক ঘোষ-প্রীতম কুমার শুরুটা করেনে দেখেশুনে। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে প্রীতমকে ৭ রানে ফিরিরে প্রথম সাফল্য এনে দেন অপু। এরপর একে একে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। ৫৪ বলে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নাদিফ চৌধুরী। ইফতেখার সাজ্জাদ ২৪ ও অমিত হাসান করেন ২১ রান। এ ছাড়া কোনো ব্যাটসম্যা বিশের ঘর পেরোতে পারেননি।
অপু ১০ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। আর হাফিজ সমান ওভারে ২৪ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। এ ছাড়া ২টি উইকেট নেন শুভাগত। ম্যাচসেরার পুরষ্কার ওঠে অপুর হাতে।
সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ১৯ মার্চ









