ক্রিকেট

ছক্কার জন্য ৭১ বল অপেক্ষা!

ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি – ৬ ওভার শেষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের রান ২ উইকেটে ৭৩। পাওয়ার প্লে’র স্কোর দেখে মনে হচ্ছিল রানের ফুলঝুরি ছুটিয়ে বিপিএল ফাইনালের স্কোর চূঁড়ায় নিয়ে যাবেন কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরা।

কিন্তু পরের ১০ ওভারে যা হলো তা স্রেফ অবিশ্বাস্য। ১৬ ওভার শেষে বিপিএলের তৃতীয় শিরোপার লড়াইয়ে থাকা কুমিল্লা রান ৬ উইকেটে ১১৯। মানে ১০ ওভারে ৪৬ রান তুলতেই নেই ৪ উইকেট। শেষ দিকে মঈন আলী ও আবু হায়দার রনির ব্যাটে লড়াই করার পুঁজি পেলো তারা। ৫২ বলে মঈন ও রনি যোগ করেন ৫৪ রান। মঈন ৩৮ ও রনি ১৯ রান করেন।

সব মিলিয়ে বিপিএলে শিরোপা নিষ্পত্তির ম্যাচে মাঝারি মানের পুঁজি পেলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। মিরপুর শের-ই-বাংলায় ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে মাত্র ১৫১ রান তুলেছে ইমরুল কায়েসের দল। অথচ একটা সময় মনে হচ্ছিল কুমিল্লার রান চলে যাবে ধরাছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু সাকিবদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ফাইনালে বড় স্কোর পেলো না কুমিল্লা।

সুনীল নারিন শুরুতে ঝড় তুলে কুমিল্লার রান এগিয়ে নেন। মাত্র ২৩ বলে ৫টি করে চার ও ছক্কায় ৫৭ রান করেন। হাফ সেঞ্চুরি আসে ২১ বলে। মেহেদী হাসান রানার বলে নারিন শান্তর হাতে ক্যাচ দিলে বরিশাল ম্যাচে ফেরে।

নারিন আউট হন ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে। ওভারের প্রথম বলটিই ছক্কায় উড়িয়েছিলেন। এরপর ৭১ বলে কোনো ছক্কা নেই কুমিল্লার ইনিংসে। ভাবা যায়?

মঈন আলী ১৭তম ওভারের প্রথম বলে সেই গেরো খুলেন। বাঁহাতি পেসার শফিকুলকে মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা উড়ান তিনি। শুধু ছক্কা কেন কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরা ৪ মারাও যেন ভুলে গিয়েছিলেন। আবু হায়দার রনি ১২তম ওভারের পঞ্চম বলে সাকিবকে সুইপ করে বাউন্ডারি পেয়েছিলেন। এরপর ২৫ বলে কোনো ৪ নেই কুমিল্লার ইনিংসে!

ম্যাড়ম্যাড়ে ইনিংসে ছক্কাও তেমন হয়নি। নারিন শুরুতে ৫ ছক্কা হাঁকানোর পর মঈন ও রনি একটি করে ছক্কা মারেন। আর গোটা ইনিংসে ৪ এসেছে মাত্র ১১টি।

এজন্য রান খরায় ভুগেছে তারা। নারিন দলীয় ৬৯ রানে আউট হওয়ার পর পরের ৬৯ রান তুলতে ১৮তম ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। ব্যাটিং ব্যর্থতা এমনভাবে ভর করেছিল তাদের ওপর যে, ইনিংসে ৫০ বলই ডট খেলেছেন।

সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ১৮ ফেব্রুয়ারি


Back to top button
🌐 Read in Your Language