উত্তর আমেরিকা

ইরানি হামলার আশঙ্কায় তুরস্ক থেকে গোপনে ট্রাম্পকে সরিয়ে নেয় হোয়াইট হাউস

ওয়াশিংটন, ১১ আগস্ট – গত জুলাই মাসে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অত্যন্ত গোপনে সরিয়ে নিয়েছিল হোয়াইট হাউস। ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্প এবং এয়ার ফোর্স ওয়ানকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির বিষয়টি মাথায় রেখে এই বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হয়।

সোমবার একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তুরস্ক সফরের সময় ট্রাম্প কাতারের উপহার দেওয়া একটি বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমান ব্যবহার করেছিলেন। তবে ফেরার সময় তিনি পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিমানে ফিরবেন বলে প্রচার করা হয়।

এমনকি জনসম্মুখে তাকে ওই বিমানে উঠতে দেখা গেলেও সেটি ছিল মূলত একটি ছদ্মবেশী ব্যবস্থা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাম্পকে খাবারের কার্টে করে ওই বিমানের নিচ থেকে বের করে আনা হয় এবং পরবর্তীতে অন্য একটি বিমানে করে তাকে গোপনে যুক্তরাজ্যে পাঠানো হয়।

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ট্রাম্পকে বহনকারী আসল বিমানটি ছিল সি-৩২এ যা মূলত বোয়িং ৭৫৭-এর একটি সামরিক সংস্করণ। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে শত্রুপক্ষের নজর এড়াতে তারা বিভ্রান্তি তৈরির কৌশল ব্যবহার করেছিলেন।

তিনি জানান প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনে সব ধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে ইরানের হুমকি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছিল। যে কারণে গণমাধ্যমকেও ভুল তথ্য প্রদান করে বিভ্রান্ত রাখা হয়েছিল। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো বিমানের ওপর নয় বরং ট্রাম্প যে বিমানেই ভ্রমণ করতেন সেটিই লক্ষ্যবস্তু হতে পারত বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল।

এস এম/ ১১ আগস্ট ২০২৬


Back to top button