বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন: এক দিনের বাড়তি বিশ্রাম কি বদলে দেবে ভাগ্য?

মাদ্রিদ, ১৫ জুলাই – বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ইতোমধ্যে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। এই জয়ের মাধ্যমে শিরোপার লড়াইয়ে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাড়তি সুবিধাও পেয়েছে ইউরোপের এই শক্তিশালী দলটি।
সেমিফাইনালে মিকেল ওইয়ারসাবাল ও পেদ্রো পরোর গোলে ফ্রান্সকে পরাজিত করে স্পেন দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। তাদের বর্তমান লক্ষ্য ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মুকুট নিজেদের করে নেওয়া।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড অথবা আর্জেন্টিনা। তবে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচের আগে স্পেন একটি বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে। যেহেতু স্পেন প্রথম সেমিফাইনাল খেলেছে এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা, তাই সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের তুলনায় স্পেন এক দিন বেশি বিশ্রামের সুযোগ পাবে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, বড় টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে এই অতিরিক্ত বিশ্রাম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘ ভ্রমণ এবং গরম আবহাওয়ার মধ্যে এই বাড়তি সময় খেলোয়াড়দের জন্য বড় পাওনা।
একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, গত ১৪টি বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালের মধ্যে ১৩ বারই সেই দলটি শিরোপা জিতেছে যারা ফাইনালের আগে বেশি বিশ্রাম পেয়েছিল। ২০১২ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ইতালির তুলনায় স্পেন এক দিন বেশি বিশ্রাম পেয়েছিল এবং ফাইনালে জয়ী হয়েছিল।
একইভাবে ২০১৬ সালে পর্তুগাল এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাও বাড়তি বিশ্রামের সুবিধা নিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। অবশ্য এর ব্যতিক্রমও রয়েছে। ২০১০ সালে স্পেন কম বিশ্রাম নিয়েও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
তবে উত্তর আমেরিকার বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বাড়তি এক দিনের বিশ্রাম স্পেনের ফুটবলারদের শারীরিক শক্তি পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই অনেকে স্পেনকে কিছুটা এগিয়ে রাখছেন।
এস এম/ ১৫ জুলাই ২০২৬







