দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলা তীব্র, জনশূন্য হওয়ার পথে জনপদ

বৈরুত, ১৯ মে – দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির ফলে ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। ইসরায়েলের অবিরাম এই আক্রমণের মুখে সাধারণ মানুষ প্রাণ বাঁচাতে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে পুরো অঞ্চলে এক ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
প্রতিদিন নতুন নতুন বিমান হামলায় পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলার তীব্রতায় বসতবাড়ি ধসে পড়ছে এবং সাধারণ মানুষ তাদের সহায় সম্বল হারিয়ে ফেলছেন। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরছাড়া মানুষের দীর্ঘ মিছিল এখন দক্ষিণ লেবাননের চিরচেনা চিত্র।
স্থানীয় অনেক নাগরিক অভিযোগ তুলেছেন যে, এই হামলার পেছনে সুদূরপ্রসারী কোনো পরিকল্পনা থাকতে পারে। তাদের আশঙ্কা, পরিকল্পিতভাবে এই অঞ্চলকে জনশূন্য করে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এখানকার বাসিন্দাদের মনে এমন ধারণা জন্মেছে যে, ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে যাতে কেউ বসবাস করতে না পারে সেই লক্ষ্যেই এই ধ্বংসলীলা চালানো হচ্ছে।
রাজধানী বৈরুতে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ইতোমধ্যে পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় বাস্তুচ্যুত মানুষের ঢল নেমেছে টাইর শহরে। আশ্রয়ের কোনো জায়গা খালি না থাকায় দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা পরিবারগুলো এই শহরেই থাকার জন্য লড়াই করছে। এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের বিষয়েও সাধারণ মানুষের মনে গভীর সংশয় কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর কথা বলা হলেও বাস্তবে তা কখনও কার্যকর হয়নি। তাদের মতে, যুদ্ধবিরতির বিষয়টি কেবল কাগজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে এবং বাস্তবের চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত।
এস এম/ ১৯ মে ২০২৬









