সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের ৩০ গ্রামে ঈদুল ফিতর পালিত

শরীয়তপুর, ২০ মার্চ – সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সংগতি রেখে শরীয়তপুর জেলার প্রায় ৩০টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। দীর্ঘ প্রায় ১৫০ বছর ধরে এই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা একদিন আগেই রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন।
সুরেশ্বর দরবার শরিফ কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী এ বছরও তারা এই ঐতিহ্য বজায় রেখে বাংলাদেশে একদিন আগেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।
শুক্রবার সকালে নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরিফের বর্তমান পীর সৈয়দ বেলাল নূরী সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায় প্রখ্যাত সুফি সাধক জান শরিফ শাহ সুরেশ্বরী এই দরবার শরিফ প্রতিষ্ঠা করেন এবং সারা দেশে তার কয়েক লাখ ভক্ত ও অনুসারী রয়েছেন। ১৯২৮ সাল থেকেই এই দরবার শরিফের অনুসারীরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা এবং ঈদ পালন করে আসছেন।
এর অংশ হিসেবে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর, কেদারপুর, চাকধ এবং চণ্ডীপুরসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের অন্তত ২০ হাজার মুসল্লি ঈদুল ফিতর পালন করছেন। প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও সুরেশ্বর দরবার শরিফে একই সময়ে ভিন্ন দুটি মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত প্রথম জামাতে ইমামতি করেন শাহ সুফি সৈয়দ বেলাল নূরী আল সুরেশ্বরী এবং মাওলানা মো. জুলহাস উদ্দিন।
দরবার শরিফের এক ভক্ত মো. বিল্লাল হোসেন জানান বংশ পরম্পরায় তারা মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখেই ধর্মীয় আচার পালন করে আসছেন।
সুরেশ্বর দরবার শরিফের গদিনসীন পীর শাহ মুজাদ্দেদী সৈয়দ বেলাল নূরী জানান পৃথিবীতে চাঁদ একটাই তাই যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে তারা তারাবি, রোজা ও ঈদ পালন করেন। এই উপলক্ষে তিনি সুরেশ্বর দরবার শরিফের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এনএন/ ২০ মার্চ ২০২৬









