জ্বালানি স্থাপনায় আইআরজিসির হামলার হুমকি, উপসাগরীয় দেশগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

দোহা, ১৯ মার্চ – ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর বা আইআরজিসির জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে উপসাগরীয় দেশগুলো। এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্র কাতারের রাস লাফান এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। চলমান এই সংঘাতের শুরুর দিকে গত দুই মার্চ এই স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনার পর কাতারএনার্জি সাময়িকভাবে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়।
বর্তমান এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তেহরানের পক্ষ থেকে আসা নতুন সতর্কবার্তার পর। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো তাদের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে এসব স্থাপনার আশপাশে বসবাসকারী বাসিন্দা এবং কর্মরত কর্মীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইআরজিসির নির্দিষ্ট করা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের সামরেফ পরিশোধনাগার এবং জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স।
এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাস ক্ষেত্র এবং কাতারের মেসাইদ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স ও রাস লাফান রিফাইনারির নামও উল্লেখ করা হয়েছে। ইরানের সতর্কবার্তায় এই স্থাপনাগুলোকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আখ্যায়িত করে নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। অন্যদিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শহরটিতে বসবাসকারী নাগরিকদের প্রথমবারের মতো আকাশপথে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
এস এম/ ১৯ মার্চ ২০২৬









