গণতন্ত্রের বিজয় ও তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীত্ব: নেই কেবল খালেদা জিয়া

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি – দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও বিশ্লেষকদের মতে এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
তবে দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে যিনি আজীবন সোচ্চার ছিলেন সেই বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের এই বিজয় দেখে যেতে পারেননি। তিনি গত ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। গতকাল দেশব্যাপী বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সামগ্রিকভাবে সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট উৎসব হয়েছে।
গত রাত আড়াইটার দিকে পাওয়া বেসরকারি ফল অনুযায়ী বিএনপি ১৭০টি আসনে জয়লাভ করেছে। খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা এবং বগুড়ায় দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটিতেই জয় পান। সবকিছু ঠিক থাকলে তারেক রহমানই হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি নির্বাসনে ছিলেন। বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা আক্ষেপের সুরে জানিয়েছেন যে নেত্রী সারা জীবন দেশের মানুষের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন তিনি এই ঐতিহাসিক দিনটি দেখে যেতে পারেননি।
২০০৭ সালে সেনাশাসিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাঁকে দেশত্যাগে চাপ প্রয়োগ করা হলেও তিনি নতি স্বীকার করেননি। স্বামী রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তিনি বিএনপির হাল ধরেন এবং দীর্ঘ সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। গণতন্ত্রের বিজয় আর দলের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে তাই নেতাকর্মীদের হৃদয়ে মিশে রয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া।
এস এম/ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









