হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি – সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার তার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, এই পদত্যাগপত্রটি রেজিস্ট্রার জেনারেলের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে, যা পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করা হবে।
নাইমা হায়দারের আইনি পেশার সূচনা হয় ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টের আইনজীবী হিসেবে। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
পারিবারিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে তিনি একটি সম্ভ্রান্ত পটভূমির অধিকারী। সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর কন্যা নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয়বার স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার শিক্ষাজীবনে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নের অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ৫ নভেম্বর অযোগ্যতার কারণে সংবিধানের ৯৬ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের আরেক বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়েছিল। বর্তমানে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আরও কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
এনএন/ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









