জাতীয়

মাস্ক না পরলে বড় অংকের জরিমানার সঙ্গে হবে জেল

ঢাকা, ২৫ নভেম্বর- বিশ্বব্যাপি কোভিড-১৯’র দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব শুরু হয়েছে। বাংলাদেশেও বাড়ছে সংক্রামিতের সংখ্যা। দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব ঠেকাতে তাই স্বাস্থ্যবিধির অংশ হিসেবে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। বর্তমানে দু’শ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণের মত জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির আদলে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমান আদালত। তবে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে প্রশাসন। মাস্ক ব্যবহার না করলে বাড়বে জরিমানা, দেওয়া হবে জেল, এমন কঠোর নির্দেশনা রয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে।

গত মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ানবাজার এলাকায় মাস্ক পড়া নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালানো হয়। জনসচেতনতা বাড়াতে অভিযানে মাস্ক না পরার অপরাধে সর্বোচ্চ দুশ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করে। একই সঙ্গে তাদের মধ্যে বিতরণও করা হয় মাস্ক।

অভিযানে মাস্ক না পরার অপরাধে শাস্তি হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা হয় সময় সংবাদের। মাস্ক না পরার কারণ হিসেবে তাদের রয়েছে নানা ঠুনকো অজুহাত। তাদের অনেকেই মাস্ক না পরার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতে শাস্তিকে নানা অজুহাতে অযৌক্তিক সাব্যস্তেরও চেষ্টা করেছেন। শাস্তি পাওয়াদের বেশিরভাগেরই মাস্ক নিয়ে আসতে ভুলে যাওয়া, অস্বস্তিবোধ করায় কয়েক মিনিটের জন্য খুলে রাখা এমন সব অজুহাত দেখিয়েছেন। তবে শাস্তি দেওয়ায় কেউ কেউ তা সাদরে গ্রহণ করেছেন। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে আরো কঠোর শাস্তি প্রয়োগেরও দাবি জানান তারা।

এদিন কারওরানবাজার এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। মাস্ক না পরায় ক্রেতা, বিক্রেতা এবং পথচারীসহ বেশ কয়েকজনকে ১শ থেকে ২শ’ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

যে কোন সেবা পেতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক জানিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, এ বিষয়ে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি জরিমানার পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়ানো হবে শিগগিরই। মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে জেল পর্যন্ত দেওয়ার ব্যাপারে আমাদের উপর নির্দেশনা রয়েছে।

অভিযানের সময়, মাস্ক বিতরণের পাশাপাশি করোনা বিষয়ে সচেতন করা হয়। এদিন মোট ১২টি মামলায় ১৯০০ টাকা জরিমানা করার কথা জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

সূত্রঃ সময় নিউজ
আডি/ ২৫ নভেম্বর

Back to top button
🌐 Read in Your Language