শরীর চর্চা

মেনোপজ নারীর এক যন্ত্রণার সময়

নারীর ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পর ডিম্বাশয় ও জরায়ুর কাজ যখন ধীরে ধীরে কমতে থাকে তখন খিটখিটে মেজাজ, অবসাদগ্রস্ততা, শরীরের পানি আসা, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া যোনিদ্বারে শুষ্কতা, এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়ে নারীর জীবন যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে বলে বিশেষজ্ঞরা অভিমত দিয়েছেন।

শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলন হলে নারী স্বাস্থ্যের এ পরিস্থিতি বিষয়ে (মেনোপজ) এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আরসিওজি এবং বিএসএমএমইউ’র ডিপার্টমেন্ট অব অবসটেটরিকস ও গাইনোকোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞরা আয়োজিত সেমিনারে বলেন, মেনোপজ সাধারণত পঞ্চাশ বছরের পর হয়। এ সময়ে ইউরিনারি ইনকনসিস্টেন্স হচ্ছে নারীদের জন্য নিরব ঘাতক বা মহামারি ব্যাধি ।

বক্তারা বলেন, মেনোপজ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রতি বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিতে আসা জরায়ুর মুখে ক্যান্সার ২৫ শতাংশ, ওভারিয়ান ৭৫ শতাংশ ,কিন্তু হরমোন থেরাপি বছরে যদি বেশি নেয়া হয় তাহলে স্তন ক্যান্সার রিস্ক বেড়ে যায়। এছাড়া মেনোপজ রোগী প্রতিদিন ৫০ শতাংশ চিকিৎসা নিতে আসেন মেডিকেলে। এজন্য নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে হবে।

বিআরসিওজি’র অনারারি সেক্রেটারি ডা. ফওজিয়া হোসাইন বলেন, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানে উৎসাহিত করতে হবে । নারী স্বাস্থ্যের উন্নয়নে ধাত্রীবিদ্যা বিভাগ এবং স্ত্রী রোগ ও প্রসূতি বিজ্ঞানে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সেমিনারে জানানো হয়, বিআরসিওজি চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর সালেহা বেগম, প্রফেসর সৈয়দা নুরজাহান ভুইয়া ও লন্ডন রয়েল কলেজ অব অবসটেটরিকস এন্ড গাইনোকোলজি এমআরসিওজি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ম্যারি অ্যানলুমেয়ডেন।

আডি/ ১৬ নভেম্বর


Back to top button
🌐 Read in Your Language