‘স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণে পুরুষের অংশগ্রহণ বাড়ছে’

“স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণে বাংলাদেশে পুরুষের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশব্যাপী এ পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এ পদ্ধতি অনুসরণ করলে পুরুষের স্বাভাবিক দাম্পত্যজীবনে কোনো বাধা আসে না।”
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কারওয়ানবাজারে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ‘স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির বিশেষ সেবা সপ্তাহ ২০১২’ পালন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের ক্লিনিক্যাল কন্ট্রাসেপশন সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর ড. এ কে এম মাহবুবুর রহমান এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “পুরুষের বন্ধ্যাকরণ পদ্ধতি অনুসরণের পর প্রথম তিন মাস তাদের অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলা হয়। অনেকে না জেনে তা মানেন না। ফলে তখন তাদের স্ত্রীরা গর্ভধারণ করতে পারেন।”
তিনি আরো বলেন, “কাউকে জোর করে এ পদ্ধতি ব্যবহারে বাধ্য করা হয় না। অধিদপ্তরে সাত রকমের সেবার ব্যবস্থা আছে। সেবাগ্রহীতাকে প্রথমে সেগুলো অবহিত করা হয়, তিনি ইচ্ছামতো সেবা গ্রহণ করেন।”
স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির অগ্রগতি এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছায়নি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, “তবে এ পদ্ধতিকে আরো জনপ্রিয় করতে স্বল্প বাজেটের মধ্যে যতখানি সম্ভব প্রচার করা হচ্ছে।”
সংবাদ সম্মেলনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক একেএম আমির হোসেন বলেন, আগামী ২২ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর এ সেবা সপ্তাহ পালন করা হবে। সারা দেশে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি সেবা কেন্দ্র, এনজিও ও প্রাইভেট সেক্টরের সব সেবা কেন্দ্র এ সেবা দেবে।
তিনি বলেন, “অধিদপ্তরে ১৪০০টি ডাক্তারের পদ রয়েছে। এর মধ্যে ৫৮০টি পদে লোক আছে। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে কর্মীস্বল্পতা আছে। তবু অধিদপ্তর তাদের সীমিত ক্ষমতার মধ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
আডি/ ১৬ নভেম্বর









