রূপচর্চা

সময় এখন আলাদা যত্নের

বদলাচ্ছে প্রকৃতির সময়, তাই এখন দরকার আলাদা যত্নের। ত্বকের ময়েশ্চারাইজার কমে গেলেই ত্বক শুষ্ক হয়। তাই প্রয়োজন বাড়তি ও আদালা যত্নের। আপনি চাইলে প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে পারেন। খাবারের তালিকায় প্রোটিনের পাশাপাশি সবজির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারেন। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন- ভাত, রুটি কমিয়ে দিলে দেহ, মন ও ত্বকের সতেজভাব এনে দেবে। টক জাতীয় ফল যেমন জলপাই, কামরাঙা, জাম্বুরা, কমলা, বড়ই ভিটামিন সি-এর ঘাটতি মিটায়, সাথে মুখে এনে দেবে রুচি। দাঁত ও মাড়ির সুস্থতা, ত্বক, চোখ, চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ফল ও সবজির তুলনা নেই।

ধুলোবালির হাত থেকে রেহাই পেতে আপনাকে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। বাইরে বের হলে চুলে স্কার্ফ পরতে পারেন। চুলে প্রতিদিন ভালো কোনো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললে ধুলোবালির হাত থেকে চুলকে রক্ষা করা যায়, খুশকিজনিত ঝামেলা আর থাকবে না। প্রতিদিন অন্তত ১-২ বার ভালো করে চুল আঁচড়িয়ে নিতে হবে। ১৫ দিনে একদিন আমরা চুলে হট অয়েল ম্যাসাজ করতে পারেন। প্রতিদিন নিয়মিত গোসল করলে শরীর, মন ভালো থাকে।

গোসলের পরে আর রাতে ঘুমানোর আগে আমরা ময়েশ্চার জাতীয় লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়ার লক্ষণ এই শীতে বেশি দেখা যায়। ঘুমানোর আগে গ্লিসারিনের সাথে পানি বা গোলাপজল মিশিয়ে লাগালে এই ফেটে যাওয়া গোড়ালি ফিরে পাবে মসৃণতা। ঘরে বসে সেরে নেওয়া যায় মেনিকিউর বা পেডিকিউর। পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহারে ঠোঁট, হাত, পা, ত্বক মসৃণ থাকে।

আপনাকে সবসময় মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে। প্রতিদিন গোসল করুন। যথা সম্ভব হাঁটুন, সকালের মিষ্টি রোদে খালি পায়ে শিশির ভেজা ঘাসে ঘুরবেন। এতে আপনার মন, ত্বক, শরীর সতেজ হয়ে উঠবে।

এস সি

Back to top button