পাকিস্তানকে নিয়ে তুমুল বিতর্ক অলিম্পিকে

টোকিও, ২৪ জুলাই – অলিম্পিককে বলা হয় দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় আয়োজন। কখনোই জৌলুসের কমতি রাখে না আয়োজকরা। জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দিয়েই পুরো বিশ্বকে মাত করে দেয় আয়োজক শহর।
কিন্তু এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ, এবার করোনার কারণে জাকজমকের কোনো বালাই ছিল না। কোনোমতে একটি উদ্বোধনীঅনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এক হাজারেরও কম দর্শকের উপস্থিতি ছিল টোকিওর অলিম্পিক স্টেডিয়ামে। অ্যাথলেটদের উপস্থিতি করা হয়েছিল ঐচ্ছিক।
সব মিলিয়ে করোনার কারণে স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার বিষয়টি পেয়েছে সর্বাধিক গুরুত্ব। নানা স্বাস্থ্যবিধি তৈরি করে করোনাভাইরাস ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আঁটসাঁট নিরাপত্তার মাঝে সমস্ত প্রোটোকল মেনে দর্শকশূন্যভাবে আয়োজন করা হচ্ছে অলিম্পিকের।
সে কারণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ও সীমিত সংখ্যক ক্রীড়াবিদ এবং কর্মকর্তাদের পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় প্রায় সব ক’টি দেশ। অথচ এরই মধ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিতর্ক তৈরি করলেন পাকিস্তান জাতীয় দলের পতাকাবাহক।
অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্চ পাস্টে তাকে মাস্ক ছাড়াই হাঁটতে দেখা গেছে। এ বিষয়টা তুমুল বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, যেখানে কেউ কোভিড-১৯ এর সুপার স্প্রেডার হয়ে যেতে পারতেন, সেখানে কিভাবে এ ধরনের গাফিলতি হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে।
টোকিওর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে এ ঘটনার ফলে ঘরে বাইরে চাপের মুখে পড়েছে পাকিস্তানের পতাকাবাহক এবং শেফ ডি মিশন। জাতীয় পতাকা হাতে হাঁটার সময় দুই পতাকাবাহক হঠাৎ করেই তাদের মুখের মাস্ক নামিয়ে হাঁটতে শুরু করেন। পাকিস্তানের শাটলার মাহরুর শাহজাদের মাস্ক ছিল তার থুতনিতে। শ্যুটার খলিল আখতারের মাস্ক দিয়ে শুধু তার মুখ ঢাকা ছিল। খোলা ছিল নাক।
পাকিস্তান ছাড়াও তাজিকিস্তান এবং কিরগিজস্তানের ক্রীড়াবিদদেরও দেখা গেছে মাস্ক ছাড়া মার্চ পাস্টে অংশ নিতে। স্থানীয় প্রশাসনের নিয়মানুযায়ী, সব সময় সবার মুখে মাস্ক থাকা আবশ্যিক। পদক জয়ীদের মধ্যে পোডিয়াম মডিউল থাকবে, যাতে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে চলা যায়। এ অবস্থার মধ্যে পাকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং তাজিকিস্তানের ক্রীড়াবিদদের এমন আচরণ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সূত্র : জাগো নিউজ
এম এউ, ২৪ জুলাই









