ফুটবল

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে হবে আগুয়েরোর ‘ভাস্কর্য’

ঢাকা, ৩০ মার্চ – ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা সার্জিও আগুয়েরো চলতি মৌসুম শেষেই ক্লাব ছাড়ছেন। ৩২ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের সঙ্গে চলতি মৌসুমেই ম্যানসিটির চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

সোমবার (২৯ মার্চ) অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে ম্যানচেস্টার সিটি নিশ্চিত করেছে মৌসুম শেষেই ক্লাব ছাড়ছেন তিনি। ম্যানসিটির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর ক্লাবে থাকবেন না আগুয়েরো।

তবে চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করা না হলেও আগুয়েরোকে সম্মান জানাতে ভুলবে না ম্যান সিটি। ক্লাবের সাফল্যে রাখা অবদানের কথা মাথায় রেখে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে গড়া হবে আগুয়েরোর একটি ভাস্কর্য। যেখানে পাশে রাখা হবে ম্যান সিটির আরো দুই কিংবদন্তি খেলোয়াড় ভিনসেন্ট কোম্পানি ও ডেভিড সিলভাকেও।

আরও পড়ুন : ম্যানসিটি ছাড়ছেন আগুয়েরো

ম্যান সিটির চেয়ারম্যান খালদুন আল মোবারক নিশ্চিত করেছে ভাস্কর্ষ স্থাপনের বিষয়টি। এছাড়া সিটি ফুটবল একাডেমিতে আগুয়েরোর স্থায়ী মোজাইক স্থাপনের কথাও বলেছেন খালদুন আল মোবারক। আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ম্যান সিটির সাফল্যে রাখা অবদানের জন্য আগুয়েরোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

খালদুন আল মোবারক বলেছেন, ‘গত ১০ বছর ধরে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে আগুয়েরোর অবদান অবিস্মরণীয়। যারা ক্লাব এবং ফুটবলকে ভালোবাসে তারা নিশ্চিতভাবেই আগুয়েরোর অবদানকে মনে রাখবে। এখনই বিদায়ের সময় আসেনি। মৌসুমে এখনও আগুয়েরোর সঙ্গে আমাদের অনেক সুময় বাকি। সামনের দিনগুলোর দিকে তাকিয়ে আছি।’

সার্জিও আগুয়েরো বলেন, ‘ক্লাবের মালিক এবং অনেক খেলোয়াড়দের অবদানেই আমরা বিশ্বের সেরা একটি ক্লাব হতে পেরেছি।’

সিটির উত্থানের পেছনে আগুয়েরো, কোম্পানি ও ডেভিড সিলভা অনন্য অবদান রেখেছেন। ২০১২ সালে নিজের প্রথম মৌসুমেই কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের বিপক্ষে শেষ মিনিটে গোল করে ৪৪ বছর পর সিটিকে লিগ শিরোপা জিতিয়েছিলেন আগুয়েরো। এরপর আরো তিনটি প্রিমিয়ার লিগ, একটি এফএ কাপ এবং পাঁচটি লিগ কাপও জিতেছেন।

২০১১ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময় ম্যান সিটিতে যোগ দিয়েছিলেন আগুয়েরো। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সোয়ানসি সিটির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় তার যাত্রা। সেই ম্যাচে মাত্র ত্রিশ মিনিট খেলে দুই গোল এবং এক অ্যাসিস্ট করেন আগুয়েরো। সবমিলিয়ে ম্যান সিটির হয়ে ৩৮৪ ম্যাচে ক্লাব রেকর্ড ২৫৭ গোল করেছেন তিনি।

সূত্র : কালের কণ্ঠ
এন এইচ, ৩০ মার্চ

Back to top button